1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
এপস্টেইনের মৃত্যুর আগে প্রস্তুত ছিল বিবৃতি, নথিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৫ অপরাহ্ন

এপস্টেইনের মৃত্যুর আগে প্রস্তুত ছিল বিবৃতি, নথিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য

  • সর্বশেষ আপডেট: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩৯ বার পঠিত
এপস্টেইনের মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত ধনকুবের ও যৌন অপরাধে দণ্ডিত জেফরি এপস্টেইনের মৃত্যু নিয়ে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সাম্প্রতিক প্রকাশিত নথিপত্রে উঠে এসেছে, তার মৃত্যুর এক দিন আগেই মৃত্যুসংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতির খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছিল।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নারী ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের যৌন পাচারের মামলায় অভিযুক্ত এপস্টেইনকে কারাগারের কক্ষে মৃত অবস্থায় পাওয়ার আগেই, ২০১৯ সালের ৯ আগস্ট তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একটি বিবৃতিতে তারিখ সংযুক্ত করা হয়েছিল।

মার্কিন বিচার বিভাগের প্রকাশ করা নথি থেকে জানা যায়, ওই বিবৃতিটি এপস্টেইনের মৃত্যুর আগের দিনই প্রস্তুত করা হয়েছিল। সম্প্রতি প্রকাশিত এপস্টেইনসংক্রান্ত নথির একটি নতুন সংকলনে এই খসড়ার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।

প্রকাশিত দলিলগুলোর মধ্যে অন্তত ২৩টি নথি নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের মার্কিন অ্যাটর্নি কার্যালয়ের বিবৃতি হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। এসব নথির একটি সংস্করণে স্পষ্টভাবে ৯ আগস্ট, ২০১৯ তারিখ উল্লেখ রয়েছে। অথচ পরদিন ১০ আগস্ট সকালে ম্যানহাটানের মেট্রোপলিটন কারেকশনাল সেন্টারের কক্ষে এপস্টেইনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

তৎকালীন ম্যানহাটানের মার্কিন অ্যাটর্নি জিওফ্রে এস বারম্যানের নামেই ওই বিবৃতির খসড়া তৈরি করা হয়েছিল। বিবৃতিটির শিরোনাম ছিল, বিবাদী জেফরি এপস্টেইনের মৃত্যুতে ম্যানহাটানের মার্কিন অ্যাটর্নির বিবৃতি।

ওই খসড়ায় বারম্যান উল্লেখ করেন, ম্যানহাটান কারেকশনাল সেন্টার কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে এপস্টেইনকে তার কক্ষে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায় এবং পরে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আজ সকালে ম্যানহাটান কারেকশনাল সেন্টার নিশ্চিত করেছে যে, অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরীদের যৌন পাচারের অভিযোগে বিচারাধীন আসামি এপস্টেইনকে তার কারাকক্ষে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। কিছু সময়ের মধ্যেই চিকিৎসাকর্মীরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিবৃতিতে ঘটনাটিকে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করা হয় এবং বলা হয়, এতে ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার পাওয়ার প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে। তবে সম্ভাব্য ষড়যন্ত্রসহ অন্যান্য অভিযোগের তদন্ত অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।

নথিপত্রে একই ধরনের বিবৃতির একাধিক খসড়া পাওয়া গেছে, যেগুলোর তথ্য গোপন করার ক্ষেত্রে ভিন্নতা দেখা গেছে। কিছু নথিতে নাম ও যোগাযোগের তথ্য দৃশ্যমান থাকলেও অন্য কপিগুলোতে এসব তথ্য আংশিকভাবে আড়াল করা হয়েছে।

খবরে আরও বলা হয়, এপস্টেইনকে তার কারাকক্ষে কমলা রঙের একটি বস্তু দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় পাওয়া যায়। কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, কমলা রঙের চাদর বা পোশাক ব্যবহার করে তিনি ফাঁস তৈরি করেছিলেন।

যদিও সরকারি ভাবে এপস্টেইনের মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, তবে দীর্ঘ সময় ধরে এ নিয়ে নানা প্রশ্ন ও বিশ্লেষণ চলছেই। নতুন প্রকাশিত নথিগুলো পর্যালোচনা করে একটি গণমাধ্যম এপস্টেইনের মৃত্যুর আগের রাতের কারাগারের নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছে।

তদন্ত নথি অনুযায়ী, ৯ আগস্ট রাত ১০টা ৩৯ মিনিটের দিকে এপস্টেইনের কারাকক্ষের সামনে একটি কমলা রঙের অবয়বকে নড়াচড়া করতে দেখা যায়।

একটি নথিতে ওই অবয়বটিকে সম্ভবত একজন কয়েদি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। অন্যদিকে বিচার বিভাগের এক অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনায় সেটিকে কমলা রঙের লিনেন বহনকারী সংশোধনাগারের একজন কর্মকর্তা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে স্বাধীন বিশ্লেষকেরা একটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ওই নড়াচড়া একজন কয়েদির আচরণের সঙ্গেই বেশি মিল রয়েছে। কারাগারের কয়েকজন কর্মীও জানিয়েছেন, ওই সময় কোনো কয়েদিকে এসকর্ট করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত অস্বাভাবিক।

এছাড়া প্রকাশিত নথিতে এপস্টেইনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধারের পরের কিছু অপ্রকাশিত ছবিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা এফবিআইয়ের একটি অবমুক্ত প্রতিবেদনের অংশ। কয়েকটি ছবিতে দেখা যায়, ১০ আগস্ট ভোর ৬টা ৪৯ মিনিটে চিকিৎসাকর্মীরা তাকে একটি স্ট্রেচারে রেখে জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। অন্য ছবিগুলো হাসপাতালে তোলা, যেখানে পরে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। একাধিক ছবিতে তার নামের বানান ভুলভাবে “জেফারি” লেখা রয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..